ফলোআপ : রায়পুর সাবরেজিস্ট্রি অফিসের ঝাড়ুদার সোহেল এখনো বহাল তবিয়তে
প্রথম পাতা » রায়পুর টুকিটাকি » ফলোআপ : রায়পুর সাবরেজিস্ট্রি অফিসের ঝাড়ুদার সোহেল এখনো বহাল তবিয়তে


সোমবার ● ৭ মে ২০১৮

---রায়পুর নিউজ ডেস্ক : দৈনিক মাস্টার রুলে ষাট টাকা মজুরীতে কাজ করা সোহেল এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছে। তার বিপুল বিত্ত বৈভবের অনুসন্ধান করতে গিয়ে তার সত্যতা পাওয়া যায়। যদিও এনিয়ে তার বক্তব্য, এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করলেও অসংখ্য সূত্র জানায়, তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সবই সত্য । ঐ ব্যক্তির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন থেকে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে আসছিলেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনুসন্ধান করে যা জানাযায়, তা রীতিমত হতোবাক হওয়ার মতো। অনুসন্ধানের সময়ে জানাযায়, ষাট টাকা মাস্টার রুলের বেতনে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর সাবরেজিস্ট্রি অফিসে প্রায় দশ বছর ধরে কাজ করে আসছেন। অনুসন্ধানে আরও জানাযায় যেসব ব্যক্তি জায়গা জমি রেজিস্ট্রেশন করতে সাবরেজিস্ট্রি অফিসে আসেন, তাদের কাছ থেকে ঐ ব্যক্তি সাবরেজিস্ট্রারের নাম ভাঙ্গিয়ে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ দুই থেকে শুরু করে ক়খনো পাঁচ আবার শুবিধা বোঝে দশ হাজার টাকা আদায় করে নেন।

হিসেব করে দেখা গেছে ষাট টাকা বেতনের দিন মজুর মাসে আয় করেন মাত্র আঠারশত টাকা। অথচ ঐ দিন মজুর রায়পুর পৌর শহরের অদূরে অর্ধলাখ টাকা মূল্যের আঠার শতাংশ সম্পত্তির মালিক। অভিযোগকারীদের মধ্যে চরবংশীর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক ব্যক্তি বলেন,তার ৮ শতক সম্পত্তি রেজিস্ট্রেশনের জন্য সোহেলের স্মরণাপন্ন হলে তিনি সাবরেজিস্ট্রারের নাম ভাঙ্গিয়ে রেজিস্ট্রেশনের জন্য ১৫ হাজার টাকা তার কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়। ল্যাংড়া বাজারে বাসা ভাড়া করে থাকেন। তাতে তার মাসে বাসা ভাড়া ও খাওয়াসহ খরচ হয় ত্রিশ হাজার টাকার মতো। আর উল্লেখিত অর্থ সম্পদের মালিকই তার এ অনিয়ম।

বাংলাদেশ সময়: ১৯:৪৬:২৭ ● ১৮৭ বার পঠিত



পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)



আরো পড়ুন...