চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে গৃহহীন পরিবারের মাঝে ১৫৪টি ঘর প্রদান
প্রথম পাতা » ফটো গ্যালারি » চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে গৃহহীন পরিবারের মাঝে ১৫৪টি ঘর প্রদান


সোমবার ● ৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

---নিউজ ডেস্ক : হাজীগঞ্জে গৃহীনদেরকে সাড়ে ৫শ’ ঘর প্রদান করে গৃহহীনমুক্ত করার কাজ এগিয়ে চলছে । ৩ ফেব্রুয়ারী শনিবার পর্যন্ত ১শ’ ৫৪টি ঘর বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত ২শ’ ঘরের মধ্যে বাকিগুলো চলিত মাসের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে। বেসকারি অর্থায়নে সরকার ব্যবস্থাপনায় মার্চের মধ্যে সাড়ে ৫শ’ ঘর প্রদান সমাপ্ত করা হবে। ঘরের সাথে যে পরিবারগুলোকে এখনো স্বাস্থ্য সম্মত টয়লেট ব্যবহার করেনি এমন পরিবারগুলোকে ইতিমধ্যে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ১০০টি স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট দেয়ার ব্যবস্থা করেছে। এসব প্রক্রিয়া শেষ হলে হাজীগঞ্জ হবে সারাদেশের মধ্যে মডেল উপজেলা।

হাজীগঞ্জ উপজেলার ধর্ণাঢ্য ব্যক্তি, স্থানীয় সংসদ সদস্য, জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন পেশা শ্রেনীর মানুষের সহযোগিতায় এসব ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। বাকীদেরকে সরকারি খাস জমি থেকে ভূমির ব্যবস্থা করে দেয়ার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি এসব পরিবারগুলোকে সরকারি বিভিন্ন সহায়তার আওতায় আনা হচ্ছে।

হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ভূমি ও গৃহহীনদের মাঝে শনিবার(৩ ফেব্রæয়ারি) বিকেলে খাদ্য সামগ্রী, সৌর বিদ্যুতের সরঞ্জাম ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এ সময়ে জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সবুর মন্ডল জানান, বেসরকারি অর্থায়নে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২শ’ ঘর প্রদানের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ২শ’৪৮টি ঘরের চাহিদা চাওয়া হয়েছে। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল তার মন্ত্রণালয় থেকে ১শ’ ১০টি ঘর দেবেন বলে কথা দিয়েছেন। সব মিলিয়ে হাজীগঞ্জে প্রায় সাড়ে ৫শ’ গৃহহীনকে ঘর দেয়ার কাজ শেষ হবে। সার্ভে অনুযায়ী হাজীগঞ্জে ২শ’ ৪৮টি পরিবার গৃহহীন রয়েছে। তবে সাড়ে ৫শ’ ঘর দেবার পর হাজীগঞ্জে আর কোনো পরিবার গৃহহীন থাকবে না। সূত্রমতে বেসরকারি উদ্যোগে হাজীগঞ্জ উপজেলায় এ পর্যন্ত ১৫৪টি পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ১শ’ পরিবারকে স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানার ব্যবস্থা করা হবে। পরবর্তীতে বাকীদেরকেও দেয়া হবে। চাঁদপুর জেলার মধ্যে হাজীগঞ্জ উপজেলাকে গৃহহীন পরিবারমুক্ত ঘোষনা করা হবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৩:৩২:৩৩ ● ২৭১ বার পঠিত



পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)



আরো পড়ুন...