দুবাইতে স্ত্রীর পাঠানো ওষুধ খাওয়ায় এক যুবকের ২৪ বছরের জেল
প্রথম পাতা » বিবিধ » দুবাইতে স্ত্রীর পাঠানো ওষুধ খাওয়ায় এক যুবকের ২৪ বছরের জেল


বুধবার ● ১৫ নভেম্বর ২০১৭

---অনলাইন ডেস্কঃ চাকরি সূত্রে দুবাইয়ে থাকা স্বামীর ব্যথা কমাতে চেয়েছিলেন ভারতীয় স্ত্রী লক্ষ্মী মোতম। এজন্যই ওষুধ পাঠিয়েছিলেন।সেই ওষুধই কাল হলো ওই যুবকের। নিষিদ্ধ ওষুধটি সেবন ও কাছে রাখার জন্য ২৪ বছরের জেল হলো ৩৫ বয়সী স্বামীর।

জানা গেছে, অল্প সময়ে বেশি রোজগারের তাগিদে লক্ষ্মীর স্বামী দুবাইয়ে গিয়েছিলেন এজেন্টের মাধ্যমে। সেখানে কুলির কাজ করতেন তিনি। সারা দিন পরিশ্রমের পর রাতে সারা শরীরে ব্যথা হতো। স্ত্রীকে ফোনে জানিয়েছিলেন সে কথা। স্বামীর ব্যথা কমানোর জন্য ২০টি ট্রামাডোল ট্যাবলেট পাঠান তিনি। কিন্তু তারা কেউই জানতেন না ২০১০ সালে ইউনাইটেড আরব এমিরেটসে (UAE) যে চারশোটি ওষুধ বাতিল করা হয়েছে তার মধ্যে একটি এই ট্রামাডোল। এটি ধীরে ধীরে মানুষের নেশায় পরিণত হয়।এজন্যই ওষুধটি সে দেশে বাতিল করা হয়েছে। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে পরিমিত হারে এই ওষুধ সেবন করাই যায়। এতকিছু না জেনেই এতদিন ওষুধটি সেবন করছিলেন লক্ষ্মীর স্বামী। লক্ষ্ণীও আগে দুবার এই ওষুধ পাঠিয়েছেন স্বামীকে। কিন্তু তৃতীয়বার তা দুবাইয়ের শুল্ক দপ্তরের হাতে ধরা পড়ে যায়। এসময় গ্রেফতার করা হয় লক্ষ্মীর স্বামীকে। বেআইনিভাবে ওষুধ সেবন করার জন্য ২৪ বছরের জেল হয় তার। স্বামীর গ্রেফতারির খবরে যেন মাথায় বাজ পড়েছে লক্ষ্মীর। কীভাবে স্বামী মুক্তি পাবেন? ভেবে কূল পাচ্ছেন না গৃহবধূ। ফলে স্থানীয় প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমের কর্মী ও সমাজকর্মীদের কাছেও আরজি জানিয়েছেন দক্ষিণ ভারতের এই বাসিন্দা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কিছু সুরাহা হয়নি ।

বাংলাদেশ সময়: ২০:০৯:৫৭ ● ৪২৭ বার পঠিত



পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)



আরো পড়ুন...